Brand

InM News

April 18, 2020

Covid-19 pandemic in Bangladesh: Are we the next Italy?

Published at 04:48 pm April 18th, 2020

 Farah Muneer and Abdul Monem Khan

After week 6, Italy had an average cumulative death rate of 6.29%, compared to 6.70% in Bangladesh

Bangladesh is crossing its 6th week of the coronavirus pandemic and things have dramatically changed since the first month. 

Observing the world trend it was quite expected that the infection rate would go up exponentially at some point of time and coping up with it would be a great challenge for a country like Bangladesh. Even though the country is currently under lockdown along with complete movement restriction after 6pm, the infection rate as a percentage of total tested has gone up almost three times higher since the 4th week. 

 

Fig 1: Average Cumulative Death Rate, Week 1-Week 6, shown in percentage of the infected population

Fig 2: Recovery rate as of Week 6, shown in percentage of the infected population

Source: Data from Bangladesh Directorate of Health Service and  Worldometer

As of April 17, 2020 the infection rate as a percentage of total tests conducted is around 9.58%. Furthermore, Bangladesh has been observing higher death count than recovery count for the past four days. The number of tests conducted is still very low compared to the other countries, probably the lowest if some Sub-Saharan African countries are not taken into account. On an average only 117 people in a million are tested for Covid-19 in Bangladesh. On the other hand, in India the figure is more than double. In Pakistan it is 383 in 1 million. So, how is Bangladesh performing compared to other countries?

The first figure compared the average cumulative death rate of Bangladesh with some of the most infected countries and some of our neighbouring countries from week 1 to week 6 of the corona pandemic.

In Bangladesh for every one hundred Covid-19 infected persons, the average cumulative death rate is 6.70% as per the latest data, which is very alarming. It is important to observe that after week 6, Italy had an average cumulative death rate of 6.29%, which implies that Bangladesh has surpassed Italy. 

Italy has just got past its 8th week of the pandemic and is currently experiencing the highest death rate  — 13.12 in every 100 infected persons — which means the coming weeks can be the most crucial for Bangladesh. 

It is also important to note that the neighbouring countries are doing much better than Bangladesh. What is surprising is that India and Pakistan, on week 6 had an average death rate of less than 1%. The second figure shows the recovery rate as of week 6 of the pandemic. In terms of recovery rate, Bangladesh has yet to go a long way when compared to India and Pakistan or even with Italy. 

The recovery incidence in Bangladesh is around 3 in every 100 infected persons. Even though the situation is better than that of the United Kingdom and the United States, it is far below than the world average which is around 25% as of April 17.

The figures above indicate quite an alarming scenario ahead for Bangladesh. It seems that Bangladesh might face very high death rates in the coming weeks like Italy if proper intervention is not initiated. Coupled with a high death rate, Bangladesh might experience one of the lowest recovery rates in the world if the current trend continues, which makes the scenario even worse than Italy. 

It is, therefore, high time to make some policy changes to combat this pandemic in Bangladesh. As the healthcare system of Bangladesh is yet to cope with the challenges of the outbreak, it seems defensive strategy is the best solution for Bangladesh to control the Covid-19 incidences. 

Italy has already spent more than a month of strict lockdown and decided to extend it till May 3 with some exceptions with regards to businesses such as timber companies, bookshops and stores selling children’s supplies. 

India has also extended the lockdown till May 3. It took China nearly two months to come out of lockdown. These examples indicate the importance of lockdown only to ‘flatten the curve’ so that the country can strengthen its capacity, especially the healthcare sector to fight the Covid-19 war.

Comparing the lockdown status with other countries, Bangladesh should extend the strict lockdown at least for a few more weeks after April 25. The decision to reopen the garment factories could be catastrophic in terms of spreading the outbreak. While this lockdown is affecting the livelihood of millions of peoples, considering the current status of healthcare facilities and the lack of training of healthcare professionals, Bangladesh may need to trade off its economic health by prioritising its public health in order to avoid a catastrophe. 

This might be expensive but it is the best solution the country might go for to fight the pandemic. The prime minister has already declared a Tk100,000cr stimulus package to recover from the economic cost of the lockdown. While implementing an effective lockdown, the government should also focus on distributing the stimulus package to the right people in an efficient manner.  

If these two measures – effective lockdown and proper distribution of the stimulus package is implemented properly, Bangladesh may be able to flatten what is now a rising curve and increase its economic resilience while fighting the battle against Covid-19. 

Farah Muneer is Senior Research Associate at the Institute for Inclusive Finance and Development (InM).

Abdul Monem Khan is Senior Legal Counsel with a multinational company.

 

 

March 3, 2020

Programme Organised to Mark the Achievement of Dr. Jahangir Alam Khan

A programme was held to mark the achievement of the honourable member of InM Governing and General Body- Dr.  Jahangir Alam Khan, for receiving ’Ekushe Padak’ at PKSF building on 3 March 2020.  The programme was chaired by Dr Qazi Kholiquzzaman Ahmad, Chairman, InM with Dr. Mustafa K Mujeri, Executive Director, InM; Mr Mohammad Moinuddin Abdullah, Managing Director, PKSF; other Governing and General Body members of InM; Deputy Managing Directors of PKSF and InM senior officials as attendees.  The honourable members and other audiences gave their speech in honour of Dr Jahangir Alam Khan. Dr Qazi Kholiquzzaman Ahmad, Chairman, InM and Dr Mustafa K Mujeri, Executive Director, InM honoured Dr Khan with uttoriya and flower Bouquet.  

 

 

 

February 27, 2020

অন্তর্ভুক্তি কৃষি খাতে রূপান্তর ও আমাদের ভাবনা

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০

 

নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ থেকে উচ্চ আয়ের দেশে পৌঁছতে হলে আমাদের কৃষিখাদ্য খাতে একটা বড় পরিবর্তন প্রয়োজন। আর কৃষিখাদ্য খাতে পরিবর্তন মানে শুধু খাদ্যের পর্যাপ্ততা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ নয়, সেই সঙ্গে খাদ্যের গুণগত মানও সুরক্ষা করা। বর্তমানে প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি জনগণের খাদ্য উৎপাদনের জন্য ব্যবহূত জমির পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ৮ কোটি একর এবং মাথাপিছু আবাদি জমির পরিমাণ শূন্য দশমিক ১৪ একর। এখন থেকে আগামী ২১ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের লোকসংখ্যা প্রায় ২০ কোটির কাছাকাছি পৌঁছবে, যেখানে চাষযোগ্য জমির পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব নয়; বরং অকৃষি কাজে জমি ব্যবহার অনেকটাই বাড়বে, ফলে কৃষিজমির পরিমাণ আরো কমে আসবে। ফলে এই বাড়তি চাপ বহন করার জন্য আমরা কতটা প্রস্তুত, সেটা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। ২০৪১ সালের মধ্যে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশের কাতারে পৌঁছতে হলে কৃষিখাদ্য খাতের উন্নয়ন দর্শনটা কী হবে, সেটাই এখন আমাদের ঠিক করতে হবে। ভিশন হতে হবে ‘এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক কৃষি খাত প্রতিষ্ঠা করা, যা কিনা নিরাপদ, লাভজনক ও টেকসই কৃষিখাদ্য ব্যবস্থার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাদ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করে এবং একই সঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে প্রয়োজনীয় সংযোগ রক্ষা করে একটি উচ্চ আয়ের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হয়। ২০৪১ সালের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কিছু উল্লেখযোগ্য সূচক হলো, মধ্যমাত্রার দারিদ্র্য ৫ শতাংশের নিচে এবং অতিদরিদ্রের হার শূন্যে নেমে আসতে হবে; ২০৩০ সালের মধ্যে আমাদের উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১-এ উচ্চ আয়ের দেশে পৌঁছতে হবে; বাংলাদেশকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তন এবং অন্যান্য পরিবেশগত চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা রাখা যায়, একই সঙ্গে কৃষিপণ্যের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতের খাদ্য-পুষ্টির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কৃষিতে দৃষ্টান্তমূলক পরিবর্তন প্রবর্তন করতে সক্ষম হতে হবে। পাশাপাশি রফতানিমুখী উৎপাদনসহ শিল্পায়নের প্রসার ঘটানোই হবে ভবিষ্যতের কাঠামোগত রূপান্তরের চালক।

এরই প্রেক্ষাপটে ২০৪১ সালের জন্য কৃষি খাতের লক্ষ্য স্থির করার ক্ষেত্রে প্রধানত চারটি বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রথমত, উন্নত খাদ্য ও পুষ্টি সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ। দ্বিতীয়ত, প্রতিযোগিতামূলক পণ্য উৎপাদন ও উন্নত বাজারজাতের ব্যবস্থা করা এবং কৃষিক্ষেত্রে ক্লাস্টার ও ভ্যালু চেইনের বিকাশ করা। তৃতীয়ত. ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের স্বার্থ মাথায় রেখে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার করার পাশাপাশি চাহিদা সম্প্রসারণমূলক সেবাগুলোর প্রতি গুরুত্ব প্রদান। এক্ষেত্রে বিকেন্দ্রীভূতকরণের ভূমিকা অনস্বীকার্য। চতুর্থত, চাল, শাকসবজি, ফলমূল ও মসলা, প্রাণিজ প্রোটিন, দুগ্ধজাত পণ্য, মাছ এবং অন্যান্য পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে হবে। যা কিনা আমাদের সীমিত জমির উর্বরাশক্তি বৃদ্ধি, বৃহৎ পরিসরে খাদ্য উৎপাদন এবং যান্ত্রিক চাষাবাদ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব। এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এবং গুরুত্ব অনুযায়ী কৌশল নির্ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি। ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য সুযোগ-সুবিধাগুলো হতে হবে বাজারকেন্দ্রিক এবং পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দায়ী এজেন্টদের চিহ্নিত করে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে হবে। এছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, স্থানীয় সার সরবরাহকারী এবং এ ধরনের আরো যারা আছেন, সবাইকে একীভূত করা যেতে পারে। সম্প্রসারিতকরণের সময় সঠিক পয়েন্ট অর্থাৎ কোথা থেকে শুরু করব তা ঠিক করতে হবে। কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে কৃষকদের বিশেষ করে প্রান্তিক কৃষকদের অবস্থার উন্নয়ন হয় এবং আমরা শুধু Inclusive Growth-B নয়, Inclusive Agricultural Growth অর্জন করতে পারি ।

এসডিজির লক্ষ্যমাত্রাগুলো সঠিক সময়ে অর্জন করার জন্য কৃষি খাতকে এককভাবে না দেখে ম্যাক্রো অর্থনীতির সঙ্গে সমন্বিত অবস্থায় দেখা ভীষণ জরুরি। এসডিজির একটি মূল লক্ষ্য হচ্ছে Leave no one behind—সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া, কাউকে পিছিয়ে রাখা যাবে না। সুতরাং সবাইকে নিয়েই যদি আমরা উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে চাই তাহলে কৃষি খাতে যারা আছেন, যেমন ছোট জেলে, প্রান্তিক চাষী, এদের সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এই এগিয়ে যাওয়ার পথে আমাদের অনেক প্রতিবন্ধকতারও সম্মুখীন হতে হবে। যেমন প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, কীভাবে এদের পুষ্টিকর খাদ্যের নিশ্চয়তা দেয়া যায়, সে বিষয়টি দেখতে হবে। এক্ষেত্রে আমাদের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির প্রাপ্যতা  নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি এর গ্রহণযোগ্যতাও নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারণ ঘটাতে হবে। জমির উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি কীভাবে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে শ্রম উৎপাদনশীলতা বাড়ানো যায়, সেটাও ভেবে দেখতে হবে। যেমন কৃষকদের জন্য কৃষিঋণ কার্ডের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। কিছুু ব্যাংক এরই মধ্যে কৃষিঋণ কার্ড চালু করেছে। মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের প্রযুক্তিগত শিক্ষা সম্প্রসারণের পাশাপাশি উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সুতরাং এসব কার্যক্রমের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করে কৃষি খাতকে আরো কীভাবে সম্প্রসারিত করা যায়, তা ভাবার সময় এসেছে।

গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতির পরিবর্তনের জন্য শহর ও গ্রামের সংযোগ বৃদ্ধির ভূমিকা অনস্বীকার্য। সেজন্য কৃষিতে এবং কৃষির বাইরে কর্মসংস্থানের সুবিধা বাড়াতে হবে। সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের ভূমিকাও বাড়াতে হবে। কীভাবে দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে আমাদের যুবসমাজকে কৃষি খাতে যুক্ত করা যায় এবং গ্রামীণ অকৃষি কাজের পরিধি বাড়ানো যায়, সেটা ভেবে দেখতে হবে। নারী কৃষকদের উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি উদ্ভাবনীমূলক প্রাতিষ্ঠানিক চুক্তির মাধ্যমে কীভাবে গ্রামীণ সেবাগুলো সীমিত সম্পদ ব্যবহার করে শহরে পৌঁছে দেয়া যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে। পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যের নিশ্চয়তার পাশাপাশি কৃষি খাতে টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে এবং একই সঙ্গে পরিবেশগত পরিবর্তনগুলোও বিবেচনায় রাখতে হবে। কৃষিখাদ্য খাতের পরিবর্তনটাকে যদি আমরা হলিস্টিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দেখতে পারি তাহলে এ খাত স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে অন্যান্য খাতকেও সহায়তা দেয়া সম্ভব হবে।

 

ফারহানা নার্গিসরিসার্চ ফেলো, ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইএনএম)

 

 

 

February 25, 2020

FIN-B Member’s Training Workshop on Mental Health and Professional Productivity

The Financial Inclusion Network, Bangladesh (FIN-B), an initiative of the Institute for Inclusive Finance and Development (InM), organised a workshop on ‘Mental Health and Professional Productivity’ in collaboration with Life-spring Consultancy Ltd. and KK Foundation on 25 February 2020. The workshop discussed the mental health issues that directly affect productivity in the work-life and on the ways of attaining a good work-life balance. InM Chairman Dr Qazi Kholiquzzaman Ahmad and Executive Director Dr Mustafa K. Mujeri attended the workshop along with the participants including Executive Directors of FIN-B member organisations, doctors, bankers, psychologists and development practitioners.

 

The mental health session was conducted by Dr Saydul Ashraf, Lead Psychiatrist, LifeSpring Consultancy Ltd. and explained the importance of building a sound mind to lead a healthy and successful life. He discussed signs of clinical depression, self-discovery and good life philosophy along with a short mental health assessment among the participants. This was followed by a mindfulness session conducted by Dr Shusama Reza, Lead Psychosexologist, Lifespring Consultancy Ltd. At the concluding session, Mr Yahia Md. Amin, Chairman, Lifespring Consultancy Ltd, focused on providing mental health services both to the development target groups and development practitioners. He argued that the people were unlikely to grow to their full potential unless they had a strong mindset to improve their own life. This was the very reason why many development projects had failed to put a long term impact on the poor people. He emphasised on building collaboration among the development practitioners and psychological health service providers.

  

Dr Qazi Kholiquzzaman Ahmad, Chairman, InM elaborated on the scope of working together for the overall well-being of the deprived people. He argued that human welfare dimensions should not be compartmentalised as these always worked together to enhance human welfare. People’s mental well-being and human and other development dimensions were interconnected; and these needed integrated development to lead a dignified life.

 

Besides, Ms Sifat-E-Azam, Executive Director of the KK Foundation conducted a short session on different activities with street children and an innovative product designed for marginalised poultry farmers. The workshop was concluded with the speech of Dr Mustafa K. Mujeri, Executive Director, InM.

 

 

January 16, 2020

FIN-B Member’s Training Workshop on Mental Health and Professional Productivity

Mental health refers to our cognitive, behavioural, and emotional wellbeing – it is all about how we think, feel, and behave. Mental health affects daily life, relationships, and even physical health. Mental healthcare in Bangladesh is almost unrecognised and non-existent. Most people, especially in the rural areas, are not aware of the importance of mental health. This causes a huge loss in human productivity due to depression, anxiety, PTSD, addiction, and other mental illnesses.

With proper awareness on mental health and mental illness, collaboration can be developed among FIN-B members and others interested in bringing about positive changes in the field of mental healthcare and enhance the productivity of the NGOs sector personnel.

InM, under the FIN-B platform and in collaboration with LifeSpring Consultancy Limited and KK Foundation, will organise a Training Workshop on ‘Mental Health and Professional Productivity’ in February 2020 for the FIN-B members. The workshop will discuss a comprehensive concept covering the following issues:

  1. Conduct awareness programme by mental health professionals
  2. Create educational videos for online platforms
  3. Information on services, like:
                                                     – Psychiatric & psychological services
                                                     – Participate in researches as mental health experts
                                                     – Conduct training programmes for NGOs, beneficiaries and people in the rural areas
  1. Probable solution of:
                                         – Stress management
                                        – Psychological wellness
                                        – Depression
                                        –  Anxiety
                                        – Addiction

Venue: 307 Conference Room, PKSF Bhaban
Tentative Date: 25 February 2020
Time: 10.00 a.m.
Participants: FIN-B members only

 

We already have another In-house session on mental health On 29 January 2020 conducted by LifeSpring Consultancy Ltd. All of the InM employees along with Dr Mustafa K Mujeri, Executive Director, InM, Mr Sabbir Ahmed Chowdhury, Director, InM and Dr Md. Mosleh Uddin Sadeque, Director, Training, InM had participated in this session. It was quite engaging and effective.

 

 

next page

 

 
© 2020 InM
Legal and Privacy policy    Webmail    FAQ    Contact    Blog    RSS Feed