Brand

InM News

August 1, 2019

শেষ হলো ফিন-বি আন্তর্জাতিক সম্মেলন : আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বিস্তৃতিতে সচেতনতা ও জ্ঞান সৃষ্টির সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক| ২২:৩৪:০০ মিনিট, আগস্ট ০১, ২০১৯
  

আর্থিক অন্তর্ভুক্তকরণের দক্ষ উপায় সম্পর্কে সচেতনতা ও জ্ঞান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নসহ সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো প্রথম ফিন-বি ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স ও ইনক্লুশন ফেয়ার ২০১৯। রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত দুদিনের এ সম্মেলন শেষ হয়েছে গতকাল। ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইএনএম) সম্মেলনটির আয়োজন করে।

সম্মেলন আয়োজনে সহযোগিতা করে ইউএনসিডিএফের শিফট সার্ক, কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড, বিকাশ, ওয়াটার ডট অর্গ ও ডিএফআইডি/ইউকেএইডের বিজনেস ফিন্যান্স ফর দ্য পুওর-বাংলাদেশ (বিএফপি-বি) প্রজেক্ট। সম্মেলনে ব্যাংক, ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান, সরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও বীমা কোম্পানির নীতিনির্ধারক ও প্রতিনিধি ছাড়াও গবেষকরা অংশ নেন।

গতকাল সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী। এতে সভাপতিত্ব করেন ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। ব্র্যাকের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ মুশতাক রেজা চৌধুরী সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন।

সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশন ও আলোচনা সভা থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো কাজে লাগিয়ে সরকারের ভবিষ্যৎ নীতিমালা গ্রহণ সহজ হবে বলে উল্লেখ করেছেন ড. গওহর রিজভী।

দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনে ছয়টি একাডেমিক সেশনে মোট ১৫টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপিত হয়।

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম প্লেনারি সেশনে ‘লিডারশিপ অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন’ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। এ সেশনে সভাপতিত্ব করেন আইএনএমের নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তফা কে মুজেরী।

পঞ্চম একাডেমিক সেশনে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিবিষয়ক নানা উদ্ভাবনী মডেল ও পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হয়। এ সেশনে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি পরিমণ্ডলের কিছু সাফল্যগাথা তুলে ধরা হয়।

‘হাউ ক্যান ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মস মিট দ্য ফিন্যান্সিয়াল গ্যাপস ফর এমএসএমইএস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্যানেল ডিসকাশনে সভাপতিত্ব করেন ইউএনসিডিএফ শিফট সার্ক প্রকল্পের কান্ট্রি প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর মো. আশরাফুল আলম।

সম্মেলনের চতুর্থ প্লেনারি সেশনে ইউএনসিডিএফ এসএইচআইএফটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (আসিয়ান অ্যান্ড সার্ক) রাজীব কুমার গুপ্ত ‘লিভারেজিং ডাটা টু অ্যাডভান্স ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সেশনে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব আলস্টারের অধ্যাপক এসআর ওসমানী।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধূরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় ‘হিউম্যান ডিগনিটি অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন’ শীর্ষক লার্নিং সেশন। এতে মানবমর্যাদার সঙ্গে সম্পর্কিত আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন আনীর চৌধুরী, কামাল কাদির, এসএম রবিউল হাসান, লরা রলস্টন ও ড. মোস্তফা কে মুজেরী।

গত মঙ্গলবার আইএনএমের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদের সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান।

 

 

Development sans inclusiveness meaningless: Dr Rizvi

Development sans inclusiveness meaningless: Dr Rizvi

International financial inclusion conference ends


 FE Report | Published:  August 01, 2019 12:43:27 


Picture used for illustrative purpose only — Collected
 

The international affairs adviser to the prime minister, Dr Gowher Rizvi, said on Wednesday the country’s achievement would be meaningless without inclusive growth.

“Whatever we’ve achieved doesn’t certainly make any meaning without it (inclusiveness)” he asserted.

Dr Rizvi made the observations at the concluding session of a two-day international financial inclusion conference at Krishibid Institute here.

Financial Inclusion Network, Bangladesh (FIN-B) and Institute for Inclusive Finance and Development (InM) co-hosted the event.

The Financial Express (FE) is one of the media partners of the international conference.

Speaking as the chief guest, Dr Rizvi said Bangladesh has achieved remarkable development in the millennium development goals.

“But this time it is a real challenge in SDGs (sustainable development goals), in every goal it is comprehensive and inclusive of all,” he added.

The adviser said Bangladesh cannot leave anyone behind in development agenda if it wants to fulfil SDGs.

It is depressing that whenever the issue of inclusiveness comes, talk about meritocracy and competitiveness comes along with.

“But merit comes with opportunity, those who don’t get equal opportunity can’t prove merit,” he continued.

He said growth must come with equal distribution of wealth and income. “We can’t do development for a few people only; benefits of growth must go to all people.”

Dr Rizvi said poverty does not have one single dimension. “Poverty only can be alleviated by addressing all aspects of poverty,” he added.

Institute for Inclusive Finance and Development (InM) executive director Dr Mustafa K Mujeri said financial inclusion is a right rather than a privilege.

Inclusive financial society will help bring dignity to the people, particularly to the underprivileged ones in the country, he mentioned.

Qazi Kholiquzzaman Ahmad, chairman of the institute, and Ahmed Mustaque Razqa Chowdhury, former vice-chancellor of Brac University, among others, also spoke at the programme.

bdsmile@gmail.com

 

 

July 31, 2019

বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও প্রযুক্তি

সম্পাদকীয়

বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও প্রযুক্তি

 ড. মোস্তফা কে. মুজেরী , ড. ফারহানা নার্গিস| ২১:২৬:০০ মিনিট, জুলাই ৩১, ২০১৯

  
 

 

অর্থ প্রদান ও লেনদেনই শুধু আর্থিক সেবার অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং সঞ্চয়, ঋণ ও বীমাও এর অন্তর্গত। প্রতিদিনের জীবনযাত্রার মান উন্নত ও আরো সহজতর করার লক্ষ্যে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ভূমিকা অনস্বীকার্য। এর মাধ্যমে মানুষ পারিবারিক ও ব্যবসায়িক বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনের পাশাপাশি যেকোনো অপ্রত্যাশিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়ে ওঠে। আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং এর পরিমাণ দ্রুত হারে বেড়েই চলেছে। বর্তমানে দেশের অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কের আওতায় অসংখ্য অর্থ লেনদেনকারী সেবাপ্রতিষ্ঠান সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্যমতে, ২০১৮ সালের মার্চে সেলফোন গ্রাহকের সংখ্যা ১৫ কোটি ছাড়িয়েছে। স্মার্টফোনের ক্রমাগত দাম কমার কারণে এ প্রযুক্তি এখন সবার হাতে হাতে পৌঁছে গেছে। ফলে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে। আমাদের দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী, যার মধ্যে নিয়মিত মোবাইল ব্যবহারকারী ও অনিয়মিত ব্যবহারকারী রয়েছেন, তাদের সংখ্যা বর্তমানে প্রায় সাড়ে আট কোটি। আগামী বছরগুলোয় এ সংখ্যা আরো দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাবে, যার মাধ্যমে অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনার একটি বিশাল সুযোগ সৃষ্টি হবে।

উন্নত দেশগুলোয় বর্তমানে যেখানে মাত্র ২১ শতাংশ লেনদেন সম্পন্ন হয় নগদ অর্থের মাধ্যমে, সেখানে বাংলাদেশে এখনো বিপুলসংখ্যক আর্থিক লেনদেন হচ্ছে নগদ অর্থের মাধ্যমে। বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নত দেশগুলোর উদাহরণ অনুসরণ করে নগদ লেনদেনের পরিমাণ কমিয়ে আনার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ডিজিটাল অর্থনীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং এরই ধারাবাহিকতায় এখন প্রায় ৬৯ শতাংশ সরকারি অর্থ প্রদান বা প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা লেনদেন ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে হচ্ছে।

একটি হিসাবে দেখা যায়, ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে ব্যক্তিগত অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারের ছয়টি প্রধান সামাজিক সুরক্ষা জাল কর্মসূচিকে কাজে লাগিয়ে প্রতি বছর প্রায় ১৪৬ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করা সম্ভব। বর্তমানে শুধু ব্যক্তিগত অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে ২ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে মাত্র ৩ শতাংশ ডিজিটাল লেনদেন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। সুতরাং ওয়ালেট, পিয়ার টু পিয়ার লেনদেন ও অ্যাপস ব্যবহার করে ভবিষ্যতে মোবাইলের মাধ্যমে লেনদেন করার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

যদিও ঋণের ক্ষেত্রে সব শ্রেণীর উদ্যোক্তার মধ্যে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা (এমএসএমই) ৯৫ শতাংশেরও বেশি অবদান রাখেন, তার পরও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বা অতীতের ঋণের হিসাব না থাকার কারণে তারা ঋণের প্রয়োজনীয়তা ও প্রাপ্যতার মাঝে এক ধরনের বিশাল ব্যবধানের মুখোমুখি হন।

প্রযুক্তিগত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এ ধরনের ঐতিহ্যগত ঋণ ও ঋণের স্কোরিং মডেল আরোপিত বাধাগুলো সহজেই দূর করা সম্ভব। ব্যাংকগুলো এবং ব্যাংকের সঙ্গে সহযোগী ফিনটেক সংস্থাগুলো সমন্বয়ের মাধ্যমে বিকল্প ঋণ ব্যবস্থা চালু করতে পারে, যা ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে গ্রহীতার সময় ও লেনদেনের ব্যয় কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে।

আমাদের দেশে বীমা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির উন্নয়ন খুবই ধীরগতিতে হয়েছে, যার পেছনে প্রযুক্তির বিলম্বিত গ্রহণযোগ্যতা অনেকাংশে দায়ী। কিন্তু ক্রমবর্ধমান গ্রাহক চাহিদা এ দৃশ্যপটকে দ্রুত পাল্টে দিচ্ছে। বীমা কোম্পানিগুলো এখন এমন ধরনের সমাধান খুঁজে বের করছে, যা আরো ভালোভাবে গ্রাহকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে, চাহিদা পূরণ করবে এবং সেই সঙ্গে গ্রাহকদের ধরে রাখতে সক্ষম হবে। উল্লেখ্য, ফিনটেক প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্ভাবনের জন্য অধিক ব্যয় করার প্রবণতা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা বিশাল সুযোগ সৃষ্টিতে অসামান্য ভূমিকা রাখছে।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আর্থিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠী কীভাবে উপকৃত হতে পারে? এক্ষেত্রে সম্ভাব্য দুটি উপায়ের কথা বলা যেতে পারে। প্রথমত, লেনদেন খরচ সর্বনিম্ন করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানে সঞ্চয়ে অভ্যস্ত করা যেতে পারে। ফলে তারা প্রচলিত পদ্ধতিতে বাড়িতে নগদ অর্থ সঞ্চয় না করে অন্তত কোনো একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সঞ্চয় করবে এবং এর সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে। দ্বিতীয়ত এবং সম্ভবত আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো, যত বেশি মানুষ ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের আওতায় আসবে ও লেনদেন করবে, তা পরবর্তী সময়ে তাদের লেনদেনের ইতিহাস সংগ্রহ করে একটি ক্রেডিট প্রোফাইল তৈরিতে সহায়ক হবে। সেই সঙ্গে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ডিজিটাল ব্যাংকিং চ্যানেল তৈরি করবে।

এ প্রসঙ্গে মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের একটি উক্তি উল্লেখ করা যেতে পারে, ‘ব্যাংকিং সেবাগুলো দরকার, তবে ব্যাংকগুলো নয়।’ তিনি আরো বলেছিলেন, ‘দরিদ্র দেশগুলোয় সমতা আনার ক্ষেত্রে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম যে ভূমিকা রাখতে পারে, তা অন্য কোথাও রাখা সম্ভব নয়।’ সর্বোপরি এ কথা বলা যায়, প্রযুক্তি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি প্রক্রিয়াকে চালিত করতে পারে। তবে এ যাত্রাপথে কিছু প্রতিকূলতার সম্মুখীনও হতে পারে। এক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করতে হলে অবশ্যই উদ্যোক্তাদের নিয়ন্ত্রক দৃশ্যকল্পের বিষয়ে সর্বদা তত্পর থাকতে হবে। তথ্য-উপাত্ত ও আইনের নিরাপত্তার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। ব্যাংকিং ও ঋণের ইকোসিস্টেমের ওপর জোরালো দৃষ্টি দিতে হবে, যাতে গ্রাহকদের সুরক্ষার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণমূলক কাঠামোতে অসদাচরণ ও জালিয়াতির বিষয়টিও সর্বাধিক গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

পরিশেষে গ্রাহকের প্রত্যাশাকে কোনো অবস্থায়ই উপেক্ষা করা উচিত নয়। কারণ গ্রাহকদের নিত্যনতুন প্রত্যাশাই আরো বেশিসংখ্যক অত্যাধুনিক ও সময়োপযোগী পণ্য উদ্ভাবনে সহায়তা করবে এবং সেই সঙ্গে আর্থিক চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। এক্ষেত্রে কেবল তারাই সাফল্য অর্জন করতে পারবে, যারা অভিনব প্রযুক্তি, নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ ও পরিবর্তনশীল গ্রাহক চাহিদা—এ তিন ক্ষেত্রকে সমন্বয় করে তাদের কার্যপরিকল্পনা তৈরি করে সে অনুযায়ী কাজ করতে সক্ষম হবে।

 

ড. মোস্তফা কে. মুজেরী: নির্বাহী পরিচালক, ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইএনএম)

ড. ফারহানা নার্গিস: রিসার্চ ফেলো, ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইএনএম)

 

 

July 30, 2019

Financial inclusion for vulnerable working children

logo

  •  Published at 06:39 pm July 30th, 2019

Child Labour

MAHMUD HOSSAIN OPU

Prospects and challenges of product innovation

While there are many programmes and campaigns to stop child labour, the fact remains that they still continue to work.  This is a common phenomenon especially in under developed and developing world. The latest survey on working children in Bangladesh which was conducted in 2013 by Bangladesh Bureau of Statistics (BBS) and International Labour Organisation (ILO) estimated that there are 3.45 million working children in the country between the ages 5 to 17 years comprising 1.75 million who are not child labour by definition and 1.70 million who are child labour that latter includes 1.28 million hazardous child labour. Many of them do save for their future while they are working hard for maintaining their sustenance in the present. However,there is no means for them to save for brighter future through accessing banking or trustworthy financial services. 

According to one of the InM studies conducted in 2016 on 400 working children it is observed that around 25% of working children do save in various places. About 45% of them save the money at home or in a secret pot. Only 20% of the children trust their parent with the savings. Rest of the children keep their savings to friends, shopkeeper or neighbour. This indicates that they lack a secure place to keep their hard earned money. It is found that children with comparatively higher income, relatively sound financial and educational family background could able to save. 

The study also observed that girls are better saver than boys in terms of head count and saving utilisation. The result shows probability of being able to save is expected to increase by 1.83 times for a female child compared to a male child.This may indicate that ‘Money psychology’ of a male child and a female child is different from one another. Their spending pattern can also be different. This may influence the female to save more.

In terms of utilisation of savings, female are found to be more productive than males. The study found that male savers utilise the savings more for consumption purpose. Around 60% of male child confirms that they spent savings on consumption. On the other hand, for females the pattern is significantly different. Around half of the female savers utilise the savings for meeting education expenses such as paying admission fees or exam fees for SSC or HSC exam.

Utilization of savings : By gender

The analysis of the study shows that being able to save, make the children better off in terms of coping with the shocks. It also enables them to attain more education. Now the question is: Is it possible to bring them under formal saving mechanism? The result of the survey confirms that around one fourth of the children who saves informally do not wish to save in formal institutions as they think its troublesome to go to bank and go through all the complex procedure for savings. Also they believe bank officials will be reluctant to provide them service considering their socio-economic status. The perception about formal financial institutions in the eyes of low income people is an important issue in this context. The rest of the informal savers wish to avail formal financial services but do not know the procedure. Also there are some regulatory and legal constraints. According to Bangladesh Bank’s regulation, minors cannot open a bank account without parent’s signature and operate it by themselves without parents’ consent even though it is legal to join work in specified occupations, for a limited number of hours per day, if they are more than 15 years old. However, majority of the parents of these children feels hesitated to visit banks and also they cannot afford to spare time to go to banks which often might lead to loss of their income considering their pattern of job. Also the scope for school banking is limited for these children as either they do not go to school or they go to only informal schools as they have to continue working to survive themselves.

To introduce innovative financial services for vulnerable working children initially a pilot can be done only on female children worker as they proved to save more efficiently. Later on it can be expanded to other groups irrespective of gender. Moreover, regulatory reforms such as allowing children to operate their own account at certain age (may be 15) if they are involved with any employment as they are responsible for their own or their family’s livelihood. The demand deposit products maybe the best option for them as it will allow them to deposit money and withdraw it for a certain number of times in a month. Providing the children with the access to mobile account can be another option to promote savings.  Our data shows that more than 50% of the children could save less than BDT.2000 at the time of survey. Moreover, cost is also associated with the working children if they have to visit the bank frequently. Also they may hesitate to go to bank. Considering these issues, mobile banking might be a better option for them to save. They can save small amount in their account and withdraw the money during their need. However, the requirement of providing National Identification Card for opening a mobile account is mandatory in the existing regulation and it is only available for the adult population. To increase the penetration of savings through mobile account, NID can be made available at the age of 15 or some other identification document can be introduced such as birth certificate. 

The study shows that the vulnerable working children do save though they are mostly micro and short run savers; however, they are very effective in utilising the savings. Therefore, proper policy and regulatory measures aiming to foster financial inclusion of children should be able to strengthen their entrepreneurial potential and financial capability.  

The international FIN-B Financial Inclusion Conference scheduled to be organised on July 30-31 by Financial Inclusion Interwork-Bangladesh (FIN-B), an initiative of the Institute for Inclusive Finance and Development (InM), will discuss accelerating financial inclusion and its challenges, identify innovative solutions and share experiences among the representatives across all stakeholders covering other demand and supply side issues of access to financial services.  

Farah Muneer is Senior Research Associate at Institute for Inclusive Finance and Development (InM).

 

 

July 28, 2019

Boosting CMSMEs through mobile banking

 Farah Muneer | Published:  July 26, 2019 21:00:54 


 

In Bangladesh, cottage, micro, small, and medium enterprises (CMSMEs) are given special policy attention since they are key drivers of the country’s economic growth and structural transformation. These are key sources of poverty reduction and employment generation. In recent years, CMSMEs are showing significant dynamism and flexibility and ability to adapt quickly to changing market demand and supply situations.

A recent development is the rapid adoption of technology and innovations by the CMSME entrepreneurs. The use of mobile phone for payments transfer has increased rapidly among these entrepreneurs, especially among the cottage and micro entrepreneurs. According to Bangladesh Bank’s Mobile Financial Services (MFS) statement, around Tk. 6 billion worth of merchant payments have been made during the month of Ramadan in May 2019.

Why this rapid adoption of mobile technology by the CMSM entrepreneurs? One Institute for Inclusive Finance and Development ( InM) study on impact of mobile banking on cottage and microenterprises in 2014 concluded that enterprise’s profitability and productivity rise significantly with the use of mobile finance. It escalates even more when the entrepreneur uses his/her own account for transaction rather than using others’ account.

The study observes that businesses having access to mobile banking have 0.28 per cent higher labour productivity than that of businesses that do not have access to mobile banking. It further concluded that entrepreneurs transacting with own mobile account make on an average Tk. 2.20 million profit yearly against Tk. 1.80 million for entrepreneurs transacting using others’ mobile account. On the other hand, entrepreneurs using no mobile account make on an average Tk. 0.80 million profit. 

The study also observed that using mobile account makes the entrepreneurs more eligible for receiving loan from banks. Entrepreneurs using own mobile account have 20 per cent of their total capital funded by commercial banks through loans which is significantly higher than the average of all cottage and micro enterprises which have only around 4.0 per cent of their total capital coming from commercial bank loans.

The study further showed that only 30 per cent of the sample has access to mobile financial services and less than 10 per cent use their own accounts. These mostly include larger scale microenterprises. It has been observed that entrepreneurs having more experience in running business, who are more educated, registered with government or local government, having more organisation level buyer than individual buyer, having larger asset base and employing higher number of full time labour, are more likely to have access to mobile banking.

The smaller scale CMSMEs are mostly left out from accessing mobile banking services. This poses a challenge for the start-up CMSMEs. For many of these would-be entrepreneurs, existing mobile service charges are relatively high. Moreover, lack of technological literacy makes the situation more complex. Awareness is another reason for their unwillingness. Another InM study from 2014 has revealed that 56 per cent of the households do not have any idea about mobile banking or mobile financial services.

These findings indicate a strong need towards opting for policies that will boost financial literacy and education among the CMSME entrepreneurs and other potential and existing financial service holders. It is also important to create digital awareness among entrepreneurs by improving their understanding regarding the benefits of using own mobile accounts along with developing financial education.

As CMSMEs are important vehicles for diversifying economic activity and these have the ability to make significant contribution to economic well-being of the people, the policymakers should take timely action to promote expansion of MFS account for micro-merchants by developing innovative digital payment instruments, enabling digital platforms and providing training to the micro-merchants so that they can manage cash, accounts and inventories using mobile technology.

POSTCRIPT : The international FIN-B Financial Inclusion Conference scheduled to be organised on July 30-31 by Financial Inclusion Interwork-Bangladesh (FIN-B), an initiative of the Institute for Inclusive Finance and Development (InM), will discuss technological innovation in accelerating financial inclusion and its challenges, identify innovative solutions and share experiences among the representatives across all stakeholders while covering other demand and supply side issues of access to financial services. 

Farah Muneer is Senior Research Associate, Institute for Inclusive Finance and Development (InM).

muneerfarah@gmail.com

 

 

next page

 

 
© 2019 InM
Legal and Privacy policy    Webmail    FAQ    Contact    Blog    RSS Feed       Play Store